ভাষা আর সংস্কৃতির কাছে কাটাতার অনেক আগেই হেরে গেছে- শুভশ্রী

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

10 months ago | Date : October 23, 2016 | Category : Bangla,Tallywood | Comment : Comments Off on ভাষা আর সংস্কৃতির কাছে কাটাতার অনেক আগেই হেরে গেছে- শুভশ্রী |

shuvosreeটালি গঞ্জের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। তার চলচ্চিত্রে জগতে প্রবেশ ভারতের ওড়িশাল চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। তার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি কলকাতার বাঙ্গালী দর্শকদের মনে স্থান করে নিয়েছেন। একের পর এক তার অভিনিত ছবি দর্শক প্রিয় এবং ব্যবসা সফল হতে থাকে। শুভশ্রী ঢাকাইয়া চলচ্চিত্রে প্রেম কি বুঝিনি ছবির মাধ্যমে এখন বাংলা দেশে এসেছে বাংলাদেশীদের মন জয় করতে। ছবিটিতে শুভশ্রীকে দেখা যাবে পারু চরিত্রে। প্রেম কি বুঝিনি যৌথ ভাবে প্রযোজনা করেন জাজ মাল্টিমিডিয়া ও কলকাতার এসকে মুভিজ। এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন সুদীপ্ত সরকার এবং আব্দুল আজিজ। ছবিটি বংলা দেশ এবং ভারতে একই সাথে ৭ অক্টোবর মুক্তি পায়। কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা শুভশ্রী গত ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় এসেছিলেন। ছবিটির বিষয়ে সংবাদ মাধ্যম কর্মিদের সাথে ছবিটির ভিবিন্ন বিষয়ে তিনি কথা বলছিলেন। তবে এই জনপ্রিয় নায়িকা এর আগেও আমি শুধু চেয়েছি তোমায় ছবির মাধ্য দিয়ে বাংলা দেশী দর্শকের মাঝে তার পরিচয় তুলে ধরেছিলেন। শুভশ্রী সংবাদ মাধ্যম কে জানান যে, প্রেম কি বুঝিনি ছবিতে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের দারুন সব বিষয় রয়েছে। তিনি আরো বলেন যে, প্রেম কী বুঝিনি এমন একটি গল্প, যা সব বয়সের। যারা তরুণ, যারা দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন, তাদের হয়তো পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে যাবে। মিষ্টি একটা প্রেমের ছবি এটি। প্রেম করতে কী করা উচিত, কী করা উচিত নয়- তা নিয়েই ছবি। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, সবার ভালো লাগবে। আর ছবির নামটার মধ্যেই প্রেম আছে। পাশাপাশি পারিবারিক কিছু বিষয়ও আছে। বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের জন্য প্রেমের অনেক টিপসও রয়েছে ছবিটিতে। সংবাদ মাধ্যম থেকে প্রশ্ন আসে এই ছবিতে এমন কি আছে যা দর্শকদের কে মোহিত করবে? উত্তরে শুভশ্রী বলেন, এই ছবিতে আমি বিভিন্ন রূপে এসেছি। প্রথমে কলেজের ছাত্রী হরদম কথা বলে, জীবনটা আরেকটু এগিয়ে চাকরি করছি, তখন পারু কে একটি পরিপক্ক রূপে দেখা যাবে তার তার কথা বার্তার পরিবর্তন আসবে, আবার যখন তার বিয়ের কথা আলোচনা হবে তখনও থাকবে পরিবর্তন। আমি মনে করি ছবিটিতে জীবনের অনেক অধ্যায় দেখিয়েছি। অতএব, এমন একটি ছবির প্রতি দর্শকতো মোহিত হবেই। প্রেম কি বুঝিনি ছবিটি বাংলাদেশ ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মান করা হলেও এর বেশির ভাগ অংশ নেওয়া হয়েছে লন্ডন থেকে। বাংলা দেশে এই ছবির শুটিং চলছে দুদিন এবং ভারত থেকেও এই ছবির কিছু অংশ নেওয়া হয়েছে।shuvosree

শুভশ্রী জানান যে বাংলাদেশের বেশ কিছু নায়িকাদের ছবি মুক্তি পেলেও সেগুলোর প্রভাব আমার মধ্যে কাজ করেনা। তিনি বলেন আমি কাউকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করিনা, শুধু বাংলা দেশ নয় ভারতেও আমার প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। শুভশ্রী গত কালের দিনের শুভশ্রী আর আজকের শুভশ্রীর মধ্যে প্রতিযোগীতা করেতেই ভালো লাগে। শুভশ্রী এর আগে বাংলাদেশে যৌথ প্রযোজনায় আমি শুধু ছেয়েছি তোমায় ছবিতে অভিনয় করেছেন। সে ছবিটিতে তিনি ব্যপক দর্শক সাড়া পেয়েছিলেন। এই ছবিতেও ভালো দর্শক সারা পাবেন বলে তিনি মনে করেন। তার ভাষ্য, ছবিটির শুটিং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা ভীষণ খাটাখাটুনি করেছি। প্রচারণার মাধ্যমে এটা হয়তো শেষ হয়ে যাবে। এত কিছু করি, শুধু দর্শকের মুখে হাসি দেখতে চাই, তারা একবার হলেও বলুক, ছবিটা কী সুন্দর হয়েছে। সে জায়গায় প্রত্যাশা তো অনেক বেশি। এটা আসলে অন্যরকম ছবি। সময়োপযোগী বলা চলে। এদিক ছবিটি নিয়ে রয়েছে অনেক অভিযোগ বেশ কিছু অভিযোগ দেখা যায় এই ছবিতে। তাহল প্রেম কি বুঝিনি ছবিটি প্রথম ভারতীয় ছবি হিসাবে আমদানি জন্য আবেদন করা হয়েছে। এরপর তখন তথ্য মন্ত্রণালয় আটকে দেয় ছবিটি। এছাড়াও ভারতীয় পত্র-পত্রিকার খবর ছিল- এটি ভারতের এসকে মুভিজের একক প্রযোজনার। যদিও আর ছবিটির বিষয়ে খোলাসা করে কিছুই বলা হয় নি। কথায় কথায় শুভশ্রী ছবিটির শুটিংয়ের সময়কালীন একটি মজার ঘটনা বললেন, ওম আমার বিপরিতে অভিনয় করেছে এটি তো খুব ভালোলাগার বিষয়। তাই প্রথমদিনই ও আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে। শুধু, শুভ সকাল বলার জন্য! আর আমি তাকে দেখে বললাম, ক্যারিয়ারে দিক থেকে আমি তোর বড়। সিনিয়রদের পা ধরে প্রণাম করতে হয়!

তার পর ছবিটি দেখার জন্য গত মঙ্গল বার সেন্সরবোর্ডকে নির্দশ দেয় তথ্য মন্ত্রনালয়। অবশেষে ছবিটি ৫ অক্টোবর সেন্সর ছাড় পত্র পেয়েছে। তিনি এই ছবিতে এক জন দক্ষ কৌশুলীর ভূমিকা পালন করেন। শুভশ্রী বলেন এই অভিযোগ গুলো জানা আমার কাজ নয়, আমি ফ্লোরে যাই শুটিং করি। কোথায় কি সমস্যা হচ্ছে না হচ্ছে তা আমার কাছে আসেনা। সমস্যার কথা নয়, আমি চাই, সবাই আমাদের সহযোগিতা করবেন। প্রযোজনা বিষয়ের কোন প্রশ্ন হলে জাজ এর কর্মকর্তারা দেখবেন। দীর্ঘ দিন ধরে দুই দেশের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান প্রমান করেছ, উভয়ের মাঝে কাটা তারের বেড়া থাকলেও আমাদের মধ্যে কোন বেড়া নেই, এমন সব কথা উল্লেখ করে শুভশ্রী বলেন দু দেশের মানুষ প্রয়োজনে একে অপরের কাছে ছুটে যাচ্ছে, আমি বাংলাদেশে কয়েক বার আসছি। ঢাকাই চলচ্চিত্রের শাকিব খান ফেরদৌস সহ আরো অনেকে কলকাতায় যাচ্ছে। কাটাতার কি কাউকে বাঁধা দিয়ে আটকাতে পেরেছে? ভাষা আর সংস্কৃতির কাছে কাটাতার অনেক আগেই হেরে গেছে। ফেয়ারএভার আনন্দলোক নায়িকার খোঁজে ২০০৭ সালে বিজয়ী হয়েছিলেন শুভশ্রী। মাতে তা লাভ হেলারে নামে একটি ওড়িশা ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার আগমন ঘটে তার। এতে তার বিপরিতে অভিনয় করেন অনুভব মোহান্তি। তার পর পিতৃভূমি নামে প্রথম বাংলা ছবি করেন।

শুভশ্রী চান দুই দেশের মধ্যে ভাষা সংস্কৃতি এবং আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে তাদের এই আসা যাওয়ার মাধ্যমে।

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

Comments are closed.


↑ Top