চিরঞ্জীব সালমান!

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

1 year ago | Date : September 20, 2016 | Category : Bangla,Dallywood | Comment : Comments Off on চিরঞ্জীব সালমান! |

সালমান শাহামাত্র কয়েক বছরের নায়ক সালমান শাহ। ১৯৭৬ সালে তিনি চলে যান চির বিদায় নিয়ে। তার আসল নাম ছিল ইমন রুপালী পর্দায় এসে তিনি তার নাম ধারন করেন সালমান শাহ। তিনি অল্প দিনেই কুটি দর্শকের মন জয় করে নেন। আবার সবাই কে কাদিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। নতুন করে আর তিনি আসবেন না রুপালি পর্দায়। সালমান শাহ মাত্র ২৭ টি ছবিতে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু তার প্রতিটি ছবিই ছিল ব্যবসা সফর। যার ফলে গত ২০ বছর অতিক্রম হওয়ার পরও তাকে স্বরন করছেন দর্শকেরা। ২০ বছর কেন যতদিন চলচ্ছিত্র থাকবে ততদিন তিনি তার ভক্তদের হৃদয় থাকবেন। স্বল্প সময়ের এই নায়কের নামটি শত বছরো স্বরন রখছে তার ভক্তরা। তার দক্ষ ও নৈপুণ অর্থাৎ সাবলীল অভিনয়ের কারনেই তিনি আজো কোটি মানুষের হৃদয় জুড়ে আছেন। যে কোন ছবিতেই তিনি নিজেকে মানিয়ে নিতেন। কি এমন যাদু ছিল তার ছবিত যেকারনে এত বছর পরও দর্শক তাকে স্বরন করে রেখেছে। এত বছর পরও তার জনপ্রিয়তায় একটু ভাটা পরেনি। সালমান ভক্তদের কাছে তিনি হচ্ছেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নায়ক। তার চলচ্চিত্র জগতের প্রথম ছবি কেয়ামত থেকে কেয়ামত দিয়েই দর্শকের মাঝে ঝড় তোলেন। এর পর তিনি একের পর এক দর্শকদেরকে ছবি উপহার দেন। তার উল্লেখ যোগ্য কয়েকটি ছবি হচ্ছেঃ- কেয়ামত থেকে কেয়ামত, অন্তরে অন্তরে, চাওয়া থেকে পাওয়া, জীবন সংসার, স্বপ্নের পৃথিবী, দেন মোহর, তোমাকে চাই, বুকের ভিতর আগুন, স্বপ্নের নায়ক, বিচার হবে, মায়ের অধিকার এবং সত্যের মৃত্যু নেই ইত্যাদি। সোহানুর রহমান সোহানের ছবির মাধ্যমে সালমান চলচ্চিত্র জগতে পা রাখে। সালমান সম্পর্কে পরিচালক নিজে বলেন ১৯৯৩ সালের দিকে সালমান শাহ ছিল ডানপিঠে এক দুরন্ত ছেলে। একজন অভিনেতার মধ্যে যে সব গুন থাকার তার সবগুলোই সালমানের মধ্যে ছিল। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্রে যে শূন্যতা দেখা দিয়েছে তা আজও স্বয়ংসম্পূর্ন হয়নি। আমার ছবিতে অনেকেই অভিনয় করেছে কিন্তু কাউকেই আমি সালমানের মতো পাইনি। সালমানের সহশিল্পী শাবনাজ বলেন সালমান আমাকে ভাবি বলে ডাকত। প্রথম ছবির মাধ্যেই আমার সাথে তার পরিচয়। এর পর আমি সালমানের সাথে আঞ্জুমান, মায়ের অধিকার, আশা ভালবাস নামে তিনটি ছবিতে অভিনয় করেছি। ১৯৭৬ সালে তার মৃত্যুর কথা শুনে আমি কতটা স্তম্ভিত হয়ে গেছি তা ভাষায় প্রকাশ করর মত নয়। সাথে সাথে এফডিসিতে ছুটে যাই। তার নাম চেহারা আমি সারা জীবনের জন্য হৃদয়ে গেথে রেখেছি। সালমান বাংলা চলচ্চিত্রে এসেছিল ধুমকেতু হয়ে। তার প্রিয় বন্ধু ছিল সংগীত শিল্পী আগুন। আগুন জানান যে, সালমানের প্রথম ছবিতে আমি প্রথম প্লেব্যাক করি। সে যদি বেছে থাকত তাহলে চলচ্চিত্র আরো এগিয়ে থাকত। চলচ্চিত্রে আশ্চর্য জনক পরিবর্তন আনেন প্রথমে জাপর একবাল তার পর সালমান শাহ। তাদের চলে যাওয়াটা আমি এখনো মেনে নিতে পারি না। সালমান স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে সালমান শাহ স্মৃতি পরিষদ। গতকাল এক তথ্যে জানানো হয়েছে যে, আজ এফডিসির মসজিতে সালমানের জন্য দোয়া এবং মিলাদ মাহফিল করা হবে এতে উপস্থিত থাকবেন সোহানুর রহমান সোহান এবং মুসফিকুর রহমান গুলজার সহ আরো অনেকে। অন্য দিকে তার মৃত্যু তারিখ স্বরন করে আয়োজন করেছেন বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল এবং সংগঠন। সালমান শাহ স্মৃতি পরিষদের সভাপতি এসএম শফি চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সবাইকে মিলাদে অংশ নিতে আহ্বান করেন।

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

tags:

Comments are closed.


↑ Top