এফডিসিতে অতিরিক্ত শিল্পীদের জন্য পরী মণির কোরবানি

Written by: moonlight


About : This author may not interusted to share anything with others

11 months ago | Date : September 23, 2016 | Category : Bollywood | Comment : Comments Off on এফডিসিতে অতিরিক্ত শিল্পীদের জন্য পরী মণির কোরবানি |

porimoniঢালিউডের নায়ক লায়িকাদের কোরবানি নিয়ে ব্যস্ততা চলছে। তার কিছু আছেন যারা দেশের বাড়িতে কোরবানি দিতে চলে গেছেন বাবা মা এবং আত্নীয় স্বজনদের সাথে ঈদ আনন্দ করার জন্য। কিন্তু এবারের ঈদে ব্যাতিক্রম দেখা গেছে নায়িকা পরিমনিকে। গতকাল নিজে গরুক্রয় করার জন্য হাটে যান এবং সেখান থেকে কোরবানের গরু ক্রয় করেন। এমনকি ঈদের দিন ১০টার দিকে গরুনিয়ে বিএফডিসিতে চলে যান। যেখানে যারা অতিরিক্ত নামে পরিচিত সে সহকারী শিল্পীদের সঙ্গে নিয়ে কোরবানী দেখাশুনা করেছেন এবং মাংস বিলি করেছেন। পরী মনির এমন ঈদ উদযাপনে খুশি বিএফডিসি সকল শিল্পিরা, যারা সবসময় অতিরিক্ত নামে পরিচিত। ১৯৭৮ সাল থেকে মর্জিনা এফডিসিতে সহকারি শিল্পী হিসাবে কাজ করেন। সেও মাংশ নেওয়ার জন্য হাসি মুখে দাড়িয়ে আছেন। তিনি বললেন প্রায় ত্রিশ বছর আগে অভিনেতা রাজীব সাহেব একবার আমাদের জন্য গরু কোরবানী দিয়েছেন। ৩০ বছর পর আবার পরিমনি। তিনি আরো জানান যে খবরটি শুনে প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি। তার পর এই বিষয় নিয়ে আরো তদারকি করে জানতে পারলাম সত্যিই তিনি আমাদের জন্য কোরবানি দিচ্ছেন। মর্জিনা কে প্রশ্ন করা হল যে এফডিসিতে কোরবানি না হলে কোথায় থেকে মাংশ পেতেন। উত্তরে মর্জিনা বলেন আমরা এফডিসিতে কাজ করি, আমাদের টাকা না থাকলেও মান সম্মান আছে, কারো বাসা থেকে মাংশ চাইতে পারিনা। আশে পাশে যারা থাকে তারাও প্রায় গরিব। তবুও দিনশেষে দু এক কেজি মাংশ বাসায় চলে আসে আর তাও যদি না আসে তাহলে যারা বিভিন্ন বাসা থেকে মাংশ সংগ্রহ করে সন্ধার পর কম দামে বিক্রি করে তাদের কাছ থেকে রাতে ক্রয় করি।

গরু কোরবানি করেন এফডিসি মসজিদের ইমাম মাওলানা ইসহাক। তিনি জানান যে মসজিদ খালি রেখেতো বাড়ি যাওয়া উচিৎ হবে না তাই ঈদ এখানেই কাটাচ্ছি। খুব সকালে কেহ একজন আমাকে ডাকল বলল যে গরু কোরবানি করতে হবে। এসে দেখলাম নায়িকা পরিমনি অসহায় শিল্পীদের জন্য এই কোরবানী দিচ্ছেন। সবকিছু শুনে আমার খুব ভালো লাগল। ১৯৬৭ সাল থেকে এফডিসিতে কাজ করছি মনে নেই এর আগে কখন কোরবানী দিয়েছি। পরিমনি জানান যে প্রতি বছর আমি কোরবানির গরু নানুর বাড়িতেই করি। সেখানের যারা আমাদে বুকে পিঠে করে মানুষ করেছেন তারা আমার জন্য অপেক্ষা করেন। কিন্তু এখন ভাবলাম সহকারী শিল্পীদের অবস্থাও তো ভালো না। তাদের অনেকেরি কোরবানি দেওয়ার মতো সার্মথ্য নেই। তাই আমি ঠিক করেছি এবারের কোরবানী এফডিসিতে দিব। এফডিসির যারা কোরবানি দিতে পারেননি তাদের জন্যই আমার এই কোরবানি।। তিনি আরো জানান যে সে কখনো জবাই করা দেখতে পারতনা ভয় করত। আজ প্রথম তিনি গরু জবাই করা দেখল। তার মনে এক ধরনের আনন্দ কাজ করেছে তাই ভয় একদমই লাগেনি। এই ঈদটা তার স্বার্থক হয়েছে বলে তিনি মনে করেনে।

লিখাটি আপনার কালেকশানে রাখার জন্য আপনার ফেজবুকে শেয়ার দিন

Comments are closed.


↑ Top